নাজমুল হক,নওগাঁ:
নওগাঁ জেলায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডিএপি সার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা। অভিযোগ থাকলেও বিষয়টি দেখভাল করতে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামে ডিএপি সার পাওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন। কোথাও বস্তা প্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। ফলে আমন ও রবি মৌসুমের প্রস্তুতির সময় কৃষকরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন নওগাঁ আত্রাই উপজেলার কৃষক হামিদূর বলেন সরকার বলে সার সস্তা, কিন্তু দোকানে গেলে বেশি টাকা ছাড়া সার দেয় না। অভিযোগ করলে কেউ শোনে না। কৃষি অফিসে গেলেও কোনো কাজ হয় না।”
পত্নীতলা উপজেলার আরেক কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, আলুর ফলন ঠিক রাখতে ডিএপি সার খুব দরকার। কিন্তু বেশি দামে কিনতে গিয়ে ধার-দেনা করতে হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে আসেন না, খোঁজও নেন না।”মান্দা উপজেলার সাবাই হাট এলাকার কৃষক সোহেল জানান - ডিলার এর কাছে সার না পেলেও স্হানীয় বাজারে খুচরা ব্যাবসায়ীদের কাছে বেশী টাকা দিলেই মিলছে বিএডিসির সকল স্যার ১৬৮০ টাকায় কিনতে হয়েছে আমাকে ডিএপি সার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষি বিভাগের তদারকি দুর্বল থাকায় এক শ্রেণির ব্যবসায়ী এই সুযোগ নিচ্ছেন। নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্য কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকছে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। কৃষকরা দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার, অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন। তা না হলে চলতি মৌসুমে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
প্রকাশক: মোঃ আবু নাইম, সম্পাদক: তরিকুল ইসলাম , ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: নুরুজ্জামান দীপু, বার্তা সম্পাদক: ফারহান খান লাবিব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ইমেইল: rupantorsangbad@gmail.com