বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে শহীদ ওসমান হাদীর স্মরণে শোক র‍্যালী নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে দায়িত্ব পালন করতে হবে: রংপুর জেলা প্রশাসক দৌলতপুর আদালতের নির্দেশ অমান্য করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার  অভিযোগ রংপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন তৃতীয় লিঙ্গের রানী রাজশাহী কলেজ অ্যালামনাই এসোসিয়েশন নির্বাচনে আলোচনায় ওয়ালিদ লোহাগড়ায় বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় মামলা বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা নিবেদন ৭১ নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করছে তাদের জনগন সঠিক জবাব দিবেন: জুয়েল কুষ্টিয়া দৌলতপুরে শরীফ উদ্দিন জুয়েলের সৌজন্যে মহান বিজয় দিবস পালিত যথাযোগ্য মর্যাদায় রংপুরে মহান বিজয় দিবস পালিত

স্মারকলিপি দিয়েছে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ কক্সবাজার

এইচ,এম শহিদুল ইসলাম, কক্সবাজার
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৯ Time View

এইচ,এম শহিদুল ইসলাম, কক্সবাজার 

‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সময় আমার বয়স তিন বছর। ওই ঘটনার পর বাবা চাকরিচ্যুত হয়। বাবাকে কারাগারে পাঠানো হয়। চার বছর সাজাকালীন বাবা ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাবাকে ছাড়া অনেক কষ্টে দিন কাটছে আমাদের। আজ বেঁচে থাকলে ন্যায্য দাবিতে আংকেলদের সঙ্গে বাবাও অংশ নিতেন। এই দাবিগুলো পূর্ণ হলে আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে।’

কথাগুলো বলছিলেন সাবেক বাংলাদেশ রাইফেলসের (বর্তমান বিজিবি) সৈনিক কাঞ্চন ভট্টাচার্যের মেয়ে শমা ভট্টাচার্য। ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর যারা চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন, কাঞ্চন ছিলেন তাদের একজন। ওই ঘটনায় চাকরিচ্যুত অন্যদের পক্ষ থেকে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ কক্সবাজার সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্মারকলিপি দিয়েছে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও চাকরিচ্যুত বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি পালন করে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ কক্সবাজার। পরে সেখান থেকেই স্মারকলিপি দেন হাবিলদার মো. একরামুল হুদা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার একটি দেশকে সন্তুষ্ট করতে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও বিডিআরকে (বর্তমানে বিজিবি) ধ্বংস করে নিজেদের ক্ষমতাকে সুদৃঢ় করতে সুপরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও চাকরিচ্যুত বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার স্মারকলিপি দেন সাবেক বিডিআর সদস্যরা।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর ফ্যাসিস্ট সরকার প্রহসনের বিচারের নামে আলামত ধ্বংস ও নিরীহ ৫৪ বিডিআর সদস্যকে নিরাপত্তা হেফাজতে হত্যা করেছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তথাকথিত ‘বিডিআর বিদ্রোহ’ নামে সংজ্ঞায়িত করে ১৮ হাজার ৫২০ জন বিডিআর সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাজার হাজার বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্মারক লিপিতে বিডিআর কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে ৯টি দাবি জানানো হয়।

এ সময় বিডিআর কল্যাণ পরিষদ কক্সবাজারের উপদেষ্টা হাবিলদার শামসুল হক, মো. শফিউল আলম ও মো. কামাল হোসেন, সভাপতি হাবিলদার মো. একরামুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক ল্যান্স নায়েক নুরুল আবছার, এডমিন বেলাল ও পেকুয়ার সমন্নয়ক এসএম এ রহিম সহ চাকরিচ্যুত বিডিআর ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category